সময় টা ২০০৫এর।আমি ক্লাস এইটে ওনার কাছে প্রাইভেট পোরতাম।শুধু তিন মাস পরেছি।এর পরে বাসা পরিবর্তনে অন্য স্কুলে চলে যাই
।আর দেখা হইনি উপলে(হাবির ডাক নাম) সাথে।২০০৯এ আবার সেই আগে যেখানে ছিলাম তার পাশে বাসা নেই।তার পর কলেজে যাওয়ার সময় মাঝে,মাঝে দেখতাম।উনি রিক্সা করে সামনে দিয়ে চলে যেতো।হাই,হ্যালো ছাড়া কোনো কথা হতো না।কোনোদিন রিক্সাও থামান নি তিনি।এমন করে দশটি বছর কেটে গেলো।ওনার বাসার সামনে দিয়ে হাজার বার যাওয়া আশা করেছি, কিন্তু কোনোদিন ড়ুকিনা।।দশ বছর পরে ২০১৫এর জুন এর ১১তারিখ হটাৎ ফেসবুকে ওনার আইড়ি শো কোরলো।আমি এড় পাঠালাম।ওনার সাথে চেট হলো।জিগ্গেস করলাম বিয়ে করেছে কিনা।।ওনি না বল্ল।এভাবে সারা রাত কথা বল্লাম।বারো তারিখ রাতেও কথা হচ্চিলো চেটে।এক ফাকে আমি ওনাকে লিখলাম"will you merry me".এটাই ছিলো আমার জিবনের শ্রেষ্ট কথা।ওটা বলার পর অনেক ভেবেছি।কিন্তু আমি এক কথার মানুষ।যাকে একবার কিছু বল্লে সেটা রক্খা করার আপ্রান চেষ্টা করি।ওনিও রাজি হয়ে গেলেন।পরদিন তেরো তারিখ বিকেলে ওনাদের বাসায় গেলাম। ওনার সাথে গল্প করে চলে আসাল।আবার সতেরো তারিখ ওনার বাসাই গেলাম।তখন ওনার এক বন্ধু ছিলো।এক পর্যায়ে ওনি জিগ্গেস করোলো বিয়ে কবে কোরবো?আমরা বল্লাম ইদের পর।কারোন ১৯তারিখ থেকে রোজা ছিলো।ওনি বল্ল তাহলে কাল করে ফেল।মানে ১৮ তারিক।আমরা রাজি হয়ে গেলাম।কিন্তুু বিশ্বাস করতে পারছিলো না।মনে করেছে আমি দুষ্টমি করছি।পরের দিন দশটা বাজে রাস্তাই দাড়ালাম।ওনি অফিস থেকে আসলো।আমি নিজেকে বিশ্বাস করতে পারছিলাম না।আমরা দু জন আর ওনার ফ্রেন্ড় টা মিলে কোর্টে গেলাম।প্রায় চারটা বাজলো।উকিল অনেক জিগ্গেস কোরলো যে আমি কি সত্তিই তাকে বিয়ে কোরবো কিনা।আমি অনড়।বল্লাম হে।বিয়ে করে ফেল্লাম।সেই দিন টার কথা আমি আজিবন মনে রাখবো।তার মুখের সেই আনন্দ টা আমার সকল কষ্ট ভুলিয়ে দিয়েছিলো।সোজা তার বাসাই গিয়ে ওর বাবা মার সাথে কথা বলে বাসাই চলে গেলাম।বাসাই কেই জানে নি।কিন্তু লুকিয়ে রাখা যাই নি কে জেনো বলে দিলো।।মা বিশ্বাস করতে পারছিলো না।পরে মা ওদের বাসাই যাওয়ার জন্য বের হয়েছিলো এই ফাকে আমি ও বের হয়ে গেলা।ভাবি নি এটাই আমার শেষ যাওয়া।ওদের বাসাই ওকে না পেয়ে মা বাসাই চলে গেলো। আর আমি শশুড় বাড়ি চলে এলাম।এর পর ওনেক তর্ক,বিতর্কের পর।মা,বা মেনে নিলো।তাও মন থেকে না।আমাকে আনেক ইমোশোনাল করে ছিলো মা, বাবা একানে এসে বাসাই নিয়ে যেতে।কিন্তু আমি যাই নি।বড় কষ্ট খয়েছিলো।আমাকে বলতো এই প্রতিবন্ধি কে নিয়েে সারাজীবন কাটাতে পারবি না।তোর ছেলেমেয়ে ও এমন হবে।কিন্তু আমি শুনি নি।বেশিই ভালোবেসে ফেলেছিলাম তাকে।নিকট আত্বিয় সবাই ছি,ছি করেছিলো।আমি হার মানি নি,ছেড়ে যাইনি তাকে।তার একাকিত্ব জিবনের একমাত্র আমি ছিলাম সঙ্গি।ওকে ছেড়ে যেতে পারি নি।কোনোদিন স্ভাবিক মানুষের সাথে তাকে তুলো না করি নি।কোনোদিন ভাবি নি সে প্রতিবন্ধি। নানা লোকে নানা ভাবে তাকাতো।একদিন মারকেট থেকে বাসাই ফেরার জন্য গাড়ি নিবো,একটা মহিলা এসে ওকে টাকা দিতে চাইলো,মনে করেছে ভিক্ষুক।তাও কষ্ট পাই নি।কারোন ভুল হতেই পারে।সে বোলতো আমিকে বিয়ে করলে নানা লোকের কথা শুনতে হবে।শনার জন্য প্রস্তুত থেকো।আমি প্রস্তুত ছিলাম।আমাদের বিবাহোত্তর অনুষ্টান হলো।তাও মা বা এখন ও মন থেকে মেনে নেয় নি।আজ ২বছর বাপের বাড়ি যাই না।যদিও হেটেই যাওয়া যাই বাপের বাড়িতে।ওরা আসে।ওকে বিয়ে করে বুঝতে পারি জিবনে কত সংগ্রাম করতে হয়।ভালোবাসা কাকে বলে।কোনো কিছুতে অভাবে রাখে নি।যা চেয়েছি এনেছে।আমি উচ্চাবিলাশি না।শুধু চেয়েছি তার ভালোবাসাটা।তার মুখের হাসি।আমিকে পেয়ে তার জিবনের পরিপুর্ন তা টা উপোলোব্দি করতাম গভির থেকে।তার দুখের সাথি হতে পেরে সত্যি গর্ভিতো।সবাই এখোন হিংসা করে আমাদের দেখে।এমন ছেলে এমন শিক্ষিত মেয়ে পেলো।সাংসারিক ভদ্র(নিজের শুনাম বলছি না)এমন কথা বলে সবার।ওর আত্বিয় রা সবাই আমাকে খুব দেখতে পারে।তবু মানুষ রা তো বলেই।সেদিন রাস্তা দিয়ে যাচ্চিলাম বাসার কিছু দুরে।এক দোকানের ভেতোর থেকে কে জেনো বলছে,ঐদেখ প্রতিবন্ধির বউ।কানে তুলিনি।কত লোক কত কথা বলবে।তাতে আমার কিছু যাই আশে না।জিবনটাকে বুঝতে শিখেছি।তার দুঃক্ষ গুলোকে শুখে পরিনত করার চেষ্টা করি।সে সরকারি চাকরি করে।আল্লাহর রহমতে ভালোই আছি,ভালোবাসা এতো তুচ্চ না যে ছেড়ে চলে যাবো।অনেকেই মনে করে আমি টাকার জন্য বিয়ে করেছি।শুনলে হাসি পাই।।আমি তার মন টাকে,তার একাকিত্তটাকে ভালোবেসেছি।টাকা তো আসবে,যাবে।ভালোবাসতে শুধু সুন্দর একটা মন লাগে,আর কিছু না।ওর অসহাই চাহনি আমি অনুভব করি,প্রতিবন্ধি মানুষের কষ্টটা কি হয়।।ওদের ও একটা মন আছে,ভালোবাসার অধিকার আছে।স্বাধিন ভাবে হাসার ক্ষমতা আছে।আমাদের উচিত সেই স্বাধিনতা টা দেওয়া।সবাই সেটা পারে না।মানুষ হাসে কেনো?তাদের দেখলে?হয়তো তারা হাটতে পারে না,কথা বলতে পরে না,তাই বলে কি হাসতে হবে? দুক্ষিত অনেক বড় হয়ে গেলো।ভুল হলে ক্ষমা করবেন।।।।(ওনি যখন তিন বছরের ছিলেন তখন পোলিও তে এমন হয়ে যান)
।আর দেখা হইনি উপলে(হাবির ডাক নাম) সাথে।২০০৯এ আবার সেই আগে যেখানে ছিলাম তার পাশে বাসা নেই।তার পর কলেজে যাওয়ার সময় মাঝে,মাঝে দেখতাম।উনি রিক্সা করে সামনে দিয়ে চলে যেতো।হাই,হ্যালো ছাড়া কোনো কথা হতো না।কোনোদিন রিক্সাও থামান নি তিনি।এমন করে দশটি বছর কেটে গেলো।ওনার বাসার সামনে দিয়ে হাজার বার যাওয়া আশা করেছি, কিন্তু কোনোদিন ড়ুকিনা।।দশ বছর পরে ২০১৫এর জুন এর ১১তারিখ হটাৎ ফেসবুকে ওনার আইড়ি শো কোরলো।আমি এড় পাঠালাম।ওনার সাথে চেট হলো।জিগ্গেস করলাম বিয়ে করেছে কিনা।।ওনি না বল্ল।এভাবে সারা রাত কথা বল্লাম।বারো তারিখ রাতেও কথা হচ্চিলো চেটে।এক ফাকে আমি ওনাকে লিখলাম"will you merry me".এটাই ছিলো আমার জিবনের শ্রেষ্ট কথা।ওটা বলার পর অনেক ভেবেছি।কিন্তু আমি এক কথার মানুষ।যাকে একবার কিছু বল্লে সেটা রক্খা করার আপ্রান চেষ্টা করি।ওনিও রাজি হয়ে গেলেন।পরদিন তেরো তারিখ বিকেলে ওনাদের বাসায় গেলাম। ওনার সাথে গল্প করে চলে আসাল।আবার সতেরো তারিখ ওনার বাসাই গেলাম।তখন ওনার এক বন্ধু ছিলো।এক পর্যায়ে ওনি জিগ্গেস করোলো বিয়ে কবে কোরবো?আমরা বল্লাম ইদের পর।কারোন ১৯তারিখ থেকে রোজা ছিলো।ওনি বল্ল তাহলে কাল করে ফেল।মানে ১৮ তারিক।আমরা রাজি হয়ে গেলাম।কিন্তুু বিশ্বাস করতে পারছিলো না।মনে করেছে আমি দুষ্টমি করছি।পরের দিন দশটা বাজে রাস্তাই দাড়ালাম।ওনি অফিস থেকে আসলো।আমি নিজেকে বিশ্বাস করতে পারছিলাম না।আমরা দু জন আর ওনার ফ্রেন্ড় টা মিলে কোর্টে গেলাম।প্রায় চারটা বাজলো।উকিল অনেক জিগ্গেস কোরলো যে আমি কি সত্তিই তাকে বিয়ে কোরবো কিনা।আমি অনড়।বল্লাম হে।বিয়ে করে ফেল্লাম।সেই দিন টার কথা আমি আজিবন মনে রাখবো।তার মুখের সেই আনন্দ টা আমার সকল কষ্ট ভুলিয়ে দিয়েছিলো।সোজা তার বাসাই গিয়ে ওর বাবা মার সাথে কথা বলে বাসাই চলে গেলাম।বাসাই কেই জানে নি।কিন্তু লুকিয়ে রাখা যাই নি কে জেনো বলে দিলো।।মা বিশ্বাস করতে পারছিলো না।পরে মা ওদের বাসাই যাওয়ার জন্য বের হয়েছিলো এই ফাকে আমি ও বের হয়ে গেলা।ভাবি নি এটাই আমার শেষ যাওয়া।ওদের বাসাই ওকে না পেয়ে মা বাসাই চলে গেলো। আর আমি শশুড় বাড়ি চলে এলাম।এর পর ওনেক তর্ক,বিতর্কের পর।মা,বা মেনে নিলো।তাও মন থেকে না।আমাকে আনেক ইমোশোনাল করে ছিলো মা, বাবা একানে এসে বাসাই নিয়ে যেতে।কিন্তু আমি যাই নি।বড় কষ্ট খয়েছিলো।আমাকে বলতো এই প্রতিবন্ধি কে নিয়েে সারাজীবন কাটাতে পারবি না।তোর ছেলেমেয়ে ও এমন হবে।কিন্তু আমি শুনি নি।বেশিই ভালোবেসে ফেলেছিলাম তাকে।নিকট আত্বিয় সবাই ছি,ছি করেছিলো।আমি হার মানি নি,ছেড়ে যাইনি তাকে।তার একাকিত্ব জিবনের একমাত্র আমি ছিলাম সঙ্গি।ওকে ছেড়ে যেতে পারি নি।কোনোদিন স্ভাবিক মানুষের সাথে তাকে তুলো না করি নি।কোনোদিন ভাবি নি সে প্রতিবন্ধি। নানা লোকে নানা ভাবে তাকাতো।একদিন মারকেট থেকে বাসাই ফেরার জন্য গাড়ি নিবো,একটা মহিলা এসে ওকে টাকা দিতে চাইলো,মনে করেছে ভিক্ষুক।তাও কষ্ট পাই নি।কারোন ভুল হতেই পারে।সে বোলতো আমিকে বিয়ে করলে নানা লোকের কথা শুনতে হবে।শনার জন্য প্রস্তুত থেকো।আমি প্রস্তুত ছিলাম।আমাদের বিবাহোত্তর অনুষ্টান হলো।তাও মা বা এখন ও মন থেকে মেনে নেয় নি।আজ ২বছর বাপের বাড়ি যাই না।যদিও হেটেই যাওয়া যাই বাপের বাড়িতে।ওরা আসে।ওকে বিয়ে করে বুঝতে পারি জিবনে কত সংগ্রাম করতে হয়।ভালোবাসা কাকে বলে।কোনো কিছুতে অভাবে রাখে নি।যা চেয়েছি এনেছে।আমি উচ্চাবিলাশি না।শুধু চেয়েছি তার ভালোবাসাটা।তার মুখের হাসি।আমিকে পেয়ে তার জিবনের পরিপুর্ন তা টা উপোলোব্দি করতাম গভির থেকে।তার দুখের সাথি হতে পেরে সত্যি গর্ভিতো।সবাই এখোন হিংসা করে আমাদের দেখে।এমন ছেলে এমন শিক্ষিত মেয়ে পেলো।সাংসারিক ভদ্র(নিজের শুনাম বলছি না)এমন কথা বলে সবার।ওর আত্বিয় রা সবাই আমাকে খুব দেখতে পারে।তবু মানুষ রা তো বলেই।সেদিন রাস্তা দিয়ে যাচ্চিলাম বাসার কিছু দুরে।এক দোকানের ভেতোর থেকে কে জেনো বলছে,ঐদেখ প্রতিবন্ধির বউ।কানে তুলিনি।কত লোক কত কথা বলবে।তাতে আমার কিছু যাই আশে না।জিবনটাকে বুঝতে শিখেছি।তার দুঃক্ষ গুলোকে শুখে পরিনত করার চেষ্টা করি।সে সরকারি চাকরি করে।আল্লাহর রহমতে ভালোই আছি,ভালোবাসা এতো তুচ্চ না যে ছেড়ে চলে যাবো।অনেকেই মনে করে আমি টাকার জন্য বিয়ে করেছি।শুনলে হাসি পাই।।আমি তার মন টাকে,তার একাকিত্তটাকে ভালোবেসেছি।টাকা তো আসবে,যাবে।ভালোবাসতে শুধু সুন্দর একটা মন লাগে,আর কিছু না।ওর অসহাই চাহনি আমি অনুভব করি,প্রতিবন্ধি মানুষের কষ্টটা কি হয়।।ওদের ও একটা মন আছে,ভালোবাসার অধিকার আছে।স্বাধিন ভাবে হাসার ক্ষমতা আছে।আমাদের উচিত সেই স্বাধিনতা টা দেওয়া।সবাই সেটা পারে না।মানুষ হাসে কেনো?তাদের দেখলে?হয়তো তারা হাটতে পারে না,কথা বলতে পরে না,তাই বলে কি হাসতে হবে? দুক্ষিত অনেক বড় হয়ে গেলো।ভুল হলে ক্ষমা করবেন।।।।(ওনি যখন তিন বছরের ছিলেন তখন পোলিও তে এমন হয়ে যান)


0 Comments