❖ অন্যত্রে হযরত আবু হুরায়রা (রাযি.) থেকে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এক ব্যক্তিকে ‘সূরা ইখলাস’ তিলাওয়াত করতে শুনে বললেন, অপরিহার্য হয়ে গেছে, আমি বললাম হুজুর! কী অপরিহার্য হয়ে গেছে? রাসূলুল্লাহ (সা.) বললেন, জান্নাত। (তিরমিজি শরীফ-২/১১৩)
❖ এছাড়া বেশি বেশি কোরআন তিলাওয়াত করলে অন্তর পরিষ্কার হয়, অন্তরে আল্লাহর ভয় সৃষ্টি হয়। যেমন, ইবনে ওমর (রাযি.) থেকে এক হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, নিশ্চয় অন্তসমূহে মরিচা ধরে, যেমনভাবে লোহায় মরিচা ধরে, যখন তাতে পানি লাগে। রাসূলুল্লাহ (সা.) কে জিজ্ঞেস করা হলো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! তা দূরীভূত করার উপায় কী? রাসূলুল্লাহ (সা.) বললেন, বেশি বেশি মৃত্যুর স্মরণ এবং কোরআন তিলাওয়াত। (শু‘য়াবুল ঈমান ২/৩৫৩)
❖ এ প্রসঙ্গে হাদিস শরীফে বর্ণিত হয়েছে, হযরত সা’দ ইবনে ওবাদা (রাযি.) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি কোরআন শিক্ষা করে ভুলে গেছে, সে কেয়ামত দিবসে অঙ্গহীন অবস্থায় আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করবে।’ (আবু দাউদ-১/২০৭)

0 Comments